বেঙ্গল কেমিক্যালসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

Spread the love

একটি চাকরি পেলেই বাঙালি ধন্য। ব্যবসা বাঙালির জন্য নয়। ভিন রাজ্যের, এমনকী বহির্ভারতের বণিককুল বাংলায় এসে ব্যবসা-বাণিজ্য-শিল্প করে ফুলেফেঁপে ওঠে। আর বাঙালি তাদের অধীনে চাকরি করেই খুশি সুখী থাকে। বাঙালির এই অপবাদ ঘোচাতে বস্তুত নিজেকেই উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। বিজ্ঞানসাধনার পাশাপাশি শিল্প-বাণিজ্যে বাঙালির পথপ্রদর্শক হওয়ার স্পর্ধা দেখিয়েছিলেন তিনি। ভারত তখন পরাধীন। তাই কাজটা আজকের তুলনায় ছিল অত্যন্ত কঠিন। সব জেনেও প্রফুল্লচন্দ্র ১৯০২ সালে মাত্র সাতশো টাকার মূলধন হাতে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বেঙ্গল কেমিক্যালস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস। ১৯০৫ সালে কলকাতার মানিকতলায় গড়ে তোলেন ওই কোম্পানির প্রথম কারখানা। বিলিতি দ্রব্য বর্জনের আহ্বান সার্থক করে তুলতে তিনি দেশীয় ক্রেতাদের হাতে তুলে দিলেন বেঙ্গল কেমিক্যালসে প্রস্তুত ফিনাইল, ন্যাপথালিন, সাপেকাটা রোগীকে বাঁচানোর ওষুধ এবং নানা ধরনের প্রসাধন দ্রব্য। বেঙ্গল কেমিক্যালসের আরও তিনটি ইউনিট গড়ে উঠল কলকাতার উপকণ্ঠে পানিহাটি, বম্বে এবং কানপুরে। বাঙালির এমন ব্যবসায়িক সাফল্যে সেদিন উজ্জীবিত হয়েছিল বাংলা এবং গোটা দেশও কিয়দংশে। বিজ্ঞানী থেকে শিল্পপতি হয়ে প্রফুল্লচন্দ্র প্রমাণ করে দিয়েছিলেন বাঙালি সাহস করে শিল্প-বাণিজ্যে অগ্রসর হলে তার দ্বারাও এসব সম্ভব এবং অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গেই। বাণিজ্য-লক্ষ্মীর সঙ্গে বাঙালির সারস্বতসাধনার কোনও বিরোধ নেই।

১৯২৩ সাল, অর্থাৎ প্রায় এক শতাব্দী আগের কথা। সারা উত্তরবঙ্গ জুড়ে সে-বছর প্রবল বন্যা। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। তাদের সাহায্যের জন্য আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় তৈরি করলেন বেঙ্গল রিলিফ কমিটি। সামান্য চাঁদার অর্থে কিছুটা খাবার তারা তুলে দিতে পারছিল দুর্গত মানুষদের মুখে। কিন্তু এর মধ্যেই নতুন উপদ্রব শুরু করেছে কলেরা এবং টাইফয়েড। আক্রান্ত বহু মানুষ। সেইসব মরণাপন্ন রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করতে এগিয়ে এসেছিল বেঙ্গল কেমিক্যালস। তাঁদের কোনও রেশন দোকান লুঠ করার প্রয়োজন বা মানসিকতা ছিল না | কারণ চালাকির দ্বারা কোনও মহত্‍ কাজ হয় না |

আবার খানিকটা পিছনের দিকে তাকানো যাক। ১৮৯৮ সাল। বেঙ্গল কেমিক্যালসের বয়স মাত্র ৬ বছর। তখন অবশ্য নাম ছিল ‘বেঙ্গল কেমিক্যাল ওয়ার্ক’। তেমন বড় কারখানা কিছুই নেই, সামান্য ল্যাবরেটরিতে গবেষণার কাজ চলে। এর মধ্যেই কলকাতায় ছড়িয়ে পড়ে প্লেগ। আক্রান্ত হয় বহু মানুষ। আর প্লেগের হাত থেকে বাঁচার প্রথম শর্ত ঘর পরিষ্কার এবং কীটপতঙ্গ মুক্ত রাখা। কিন্তু স্যানিটেশনের যাবতীয় সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আসে তার দাম আকাশছোঁয়া। সেবারেও এগিয়ে এসেছিল বেঙ্গল কেমিক্যালস। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তাঁরা তৈরি করেছিলেন ফিনাইল এবং ন্যাপথলিন বল।

শুধু দেশের সাধারণ মানুষ নয়, সরকারের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল এই প্রতিষ্ঠান। ১৯১৪ সাল, তখন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলছে। যুদ্ধের জন্য কিছু অ্যাসিড এবং রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োজন হয় ব্রিটিশ সরকারের। কিন্তু এতদিন এসব দ্রব্যের জন্য ব্রিটিশরা নির্ভর করতো জার্মানির উপর। তখন তো জার্মানি প্রতিপক্ষ দলে। তাহলে উপায়? উপায় সেই উপনিবেশের দেশীয় একটি কারখানা, বেঙ্গল কেমিক্যালস। যুদ্ধের যাবতীয় রাসায়নিক দ্রব্যের উৎপাদনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল এই প্রতিষ্ঠান।

ব্রিটিশ সরকারও অবশ্য সেই উপকারের দরুণ অনেক সম্মানও দিয়েছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রকে। কোম্পানির মূলধন বেড়েছিল প্রায় ২০ গুণ। তবে বেঙ্গল কেমিক্যালসের চাহিদা হয়তো এসব কিছুই ছিল না। বরং জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থাকার যতটুকু সামর্থ্য সেটুকুই সম্পূর্ণ দিয়ে সমাজসেবা করতো এই সংস্থা। তাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আবার আহত সৈনিকদের জন্য ওষুধের ব্যবস্থা করতে এগিয়ে আসে এই প্রতিষ্ঠান। অগ্নিযুগের বিপ্লবীরাও সাহায্য পেয়েছেন নানা সময়। ১৮৯২ সালে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের উদ্যোগে সামান্য একটি ভেষজ গবেষণাগার হিসাবে আত্মপ্রকাশ বেঙ্গল কেমিক্যালসের। কালক্রমে একটি রাসায়নিক কারখানা হয়ে ওঠে ১৯০৫ সালে। প্রথম দেশীয় ওষুধ নির্মাতা সংস্থা এটি।

ভারতের জাতীয় নেতারা উপলব্ধি করেছিলেন আর্থিক স্বাধীনতা ভিন্ন রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই তাঁরাও জোর দিয়েছিলেন দেশীয় ব্যবসা, বাণিজ্য ও শিল্পের প্রসারের উপর। সেইদিক থেকে বেঙ্গল কেমিক্যালস হয়ে উঠেছিল ভারতের স্বাধীনতার এক বড় সৈনিক। এই শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল বাঙালির আত্মপরিচয়েরও প্রত্যক্ষ সম্পর্কটি।

কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হল—স্বাধীন ভারত এবং খণ্ডিত বাঙালি জাতি বেঙ্গল কেমিক্যালসের ঐতিহ্য ধরে রাখতে অক্ষম হল। গত শতকের ষাটের দশক থেকে শুরু হল বেঙ্গল কেমিক্যালসের পিছু-হঠা। সংস্থাটির “ঐতিহাসিক গুরুত্ব” স্বীকার করে নিয়ে আশির দশকের প্রথম দিকে কেন্দ্রীয় সরকার এটিকে অধিগ্রহণ করে।

২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদীর সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের মালিকানাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির শ্রীবৃদ্ধির জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দ্বারস্থ হয়েছিল৷ কেন্দ্রের আর্জি ছিল, জন স্বাস্থ্য পরিষেবায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধগুলি রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকেই কিনুক৷ এ ব্যাপারে শতাধিক বছরের পুরোনো বেঙ্গল কেমিক্যালের নাম রাজ্য সরকারের কাছে সুপারিশও করেছে কেন্দ্র৷ কেন্দ্রীয় রসায়ন ও সার মন্ত্রকের আওতায় ডিপার্টমেন্ট অফ ফার্মাসিউটিক্যালসের তরফে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে , কেন্দ্রের মালিকানাধীন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির কাছ থেকে জেনেরিক ওষুধগুলি কিনতে৷ এই মর্মে ডিপার্টমেন্ট অফ ফার্মাসিউটিক্যালসের তত্কালীন যুগ্মসচিব সুধাংশু পন্থ পশ্চিমবঙ্গের তত্কালীন স্বাস্থ্যসচিব আর এস শুক্লাকে একটি চিঠিতে লিখেছেন, “আপনাকে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির কাছ থেকে জেনেরিক ওষুধ কেনার বিষয়টি বিবেচনা করার আর্জি জানাচ্ছি৷ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিপূর্বেই সরকারি স্তরে ১০৩টি জেনেরিক ওষুধ কেনার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণ করেছে৷ এই নীতির প্রেক্ষিতে আপনাকে বেঙ্গল কেমিক্যালস ও ফার্মাসিউটিক্যালসের মতো কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কাছ থেকে ওষুধ কেনার আবেদন জানাচ্ছি৷ বলাই বাহুল্য, এই ধরনের সংস্থা, ওষুধ প্রস্তত করার ক্ষেত্রে ‘গুড ম্যানুফাকচারিং প্র্যাকটিস’ বা জিএমপি’র মতো আবশ্যিক শর্ত অক্ষরে অক্ষরে পালন করে ৷ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার কাছ থেকে ওষুধ কেনার প্রকার পদ্ধতিও বেশ সরল৷ বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে টেন্ডার ডেকে কেনাকাটি করার মতো দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ নয়৷ কারণ, সমস্ত বাণিজ্যিক লেনদেনই হবে সরকারি স্তরে ৷”
এই ধরনের সংস্থার কাছ থেকে ওষুধ কিনলে ১৬ শতাংশ হারে যে ছাড় মিলবে তাও শুক্লাকে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি | তবে শুধু বেঙ্গল কেমিক্যালের পক্ষে বলেই ক্ষান্ত হননি তিনি ৷ পাশাপাশি, আরও চারটি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছ থেকেও জেনেরিক ওষুধ কেনার জন্যও তিনি শুক্লাকে আবেদন করেছেন৷ সেগুলি হল রাজস্থান ড্রাগস ও ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, হিন্দুস্তান অ্যান্টিবায়োটিকস লিমিটেড, কর্নাটক অ্যান্টিবায়োটিকস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও ইন্ডিয়া ড্রাগস অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ৷ এ ব্যাপারে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, “রাজ্য স্বাভাবিক ভাবেই অগ্রাধিকার দেবে রাজ্যের মালিকানাধীন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে৷ পাশাপাশি, সব ধরনের ওষুধের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে বেসরকারি সংস্থার উপরও নির্ভর করতে হয় |”

সুদীর্ঘ ছয় দশকের পর ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে প্রথমবার ০৪ কোটি টাকার মুনাফা করে বেঙ্গল কেমিক্যালস| তারপরের বছর ১০ কোটি আর তারপরের বছর অর্থাত্‍ ২০১৮-১৯-এ ২৫.২৮ কোটি মুনাফা হয় | এই যে ২০১৬-১৭ সালে বেঙ্গল কেমিক্যালস ০৪ কোটির মুনাফা করে এবং পরবর্তীতেও মুনাফা বাড়তে থাকে তার কারণ হল কেন্দ্রের স্বচ্ছ-ভারত প্রকল্প | এই প্রকল্পের জন্য যাবতীয় স্যানিটাইজেশন প্রোডাক্ট সরকার বেঙ্গল কেমিক্যালস থেকে কেনে |

এবার বর্তমান সময়ে ফিরে আসা যাক।

সাত তারিখে বাংলার মানুষ জানতে পারে ভারত আমেরিকাকে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন পাঠাবে এবং এই ওষুধ তৈরীর বরাত পেয়েছে বড় বড় ওষুধ তৈরির কোম্পানিগুলো। একদিন আগেই যেখানে নরেন্দ্র মোদিকে ছোট করে, ব্যঙ্গ করে, নানান ধরনের মিম বানিয়ে শেয়ার করা যাচ্ছিল, সেটা তো বন্ধ হয়ে গেল! বাংলার নেটিজেনরা যারা একাধারে ইকোনোমিস্ট, বায়োলজিস্ট, এনভায়রনমেন্টালিস্ট, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সোশ্যাল ওয়ার্কার, তারা আজ ১২৮ বছর পর হঠাৎ করে বেঙ্গল কেমিক্যালস আর আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়ে উঠলো। এখন তাদের বক্তব্য মোদি এই ওষুধ বানানোর বরাত বেঙ্গল কেমিক্যালস কে কেন দিলেন না ? তার মানে মোদি বেসরকারি সংস্থাগুলোকে অর্ডার পাইয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সংস্থাগুলোকে ডুবিয়ে দিতে চাইছেন। গত ছয় দশক ধরে যখন বেঙ্গল কেমিক্যালস লোকসান করছিল তখন এই শুভাকাঙ্ক্ষীদের কোথাও দেখতে পাওয়া যায়নি । যে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের কথা বলে আজকে ইমোশনাল সুড়সুড়ি দেয়া হচ্ছে সেই আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মদিন দোসরা আগস্ট। আজকের আগে এটা কোন বাঙালির মনে ছিল কিনা সে বিষয়ে আমার বড় সন্দেহ আছে। আপনারা কি কেউ দোসরা আগস্ট ২০১৯-এ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়-এর জন্মদিন উপলক্ষে কোথাও কোনো প্রোগ্রাম দেখেছেন? দেখে থাকলে আমাকে জানাবেন। আমি হলফ করে বলতে পারি আগামী দোসরা আগস্ট ২০২০ তেও কোনরকম অনুষ্ঠান করে জন্মদিন পালন করা হবে না।আজকে যারা আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় এর কথা বলে প্রায় কেঁদে ফেলার যোগাড় কালকেই তারা অন্য টপিক পেলে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কে ভুলে যাবে। আর আগস্ট মাস আসতে এখনো অনেক দেরি।

প্রসঙ্গ উঠলো যখন তখন বলে রাখি, কেন্দ্রীয় সরকার বেঙ্গল কেমিক্যালস এর কাছে এই ওষুধ তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিল। যে পরিমাণ ওষুধ তৈরি করতে হবে তার ৫% ওষুধও বেঙ্গল কেমিক্যালস তৈরি করে দিতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছে সংস্থার কর্তৃপক্ষ। কারণ তাদের কাছে র-মেটেরিয়াল নেই। (লিংক ডিটেকটিভ দের জন্য নিচে লিংক দেওয়া আছে)| বেঙ্গল কেমিক্যালস এর কর্ম সংস্কৃতির বিষয়ে যারা ওয়াকিবহাল তারা বলতে পারবেন যে যদি এই অর্ডার বেঙ্গল কেমিক্যালস পেয়েও যেত তাহলে কতদিনে সেই অর্ডার ডেলিভারি দিতে পারতো। যারা বেঙ্গল কেমিক্যালস এর ওষুধ নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত ইমোশনাল হয়ে পড়েছেন তাদের বাড়িতে সময় অসময় যে ওষুধের প্রয়োজন পড়ে তার মধ্যে কতগুলো বেঙ্গল কেমিক্যালস এর বানানো জানতে ইচ্ছে করে। আশাকরি ভবিষ্যতে এই শুভাকাঙ্খীরা বেঙ্গল কেমিক্যালস এর ওষুধ না পেলে ওষুধ না নিয়ে দোকান থেকে ফিরে আসবেন সাংকেতিক প্রতিবাদ জানানোর জন্য। সেখানকার ট্রেড ইউনিয়ন গুলো যাতে সেখানকার কর্মসংস্কৃতি উন্নতির জন্য চেষ্টা চালান সেই দিকে এই শুভাকাঙ্খীরা ভবিষ্যতে নজর রাখবেন।


Spread the love

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *