দ্বিজাতিতত্ত্ব ধারণা

Spread the love

সংসদে দাঁড়িয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরী মুর্শিদাবাদে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা স্থাপনের দাবি তুললেন! তিনি সকল সাংসদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন দেশের সকল সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চলে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা খোলা উচিত।

মাননীয় অধীররঞ্জন চৌধুরীর জানা আছে কি না জানি না, যে ভারতে প্রথম ‘দ্বিজাতিতত্ত্ব ধারণা’র সূচনা করেন এই আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েরই প্রতিষ্ঠাতা স্যার সৈয়দ আহমেদ খাঁ। ১৮৮৭ সালেই তিনি বলেছিলেন ‘যেমন দুটি তলোয়ার এক খাপে থাকতে পারে না, তেমনই হিন্দু মুসলিমের একত্র সহাবস্থানও অসম্ভব।’ পরবর্ত্তীতে তাঁর এই তত্বের ভিতর দিয়েই ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগের জন্ম হয়।

zinna

অতি সম্প্রতি এই আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়েই মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি রাখা নিয়ে দেশজু্ড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। দেশ ভাগ ও ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’য়ের জন্মদাতা জিন্নার ছবি ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকার পক্ষে তখন কংগ্রেসী ও বামপন্থীরা গলা মিলিয়েছিল, আজ আর তা কারও অজানা নয়।

অধীর বাবু হয়ত দেশের প্রান্তে প্রান্তে আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা খুলে জিন্নাহর ছবির ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটাতে চান! কিম্বা তাঁর দল আবারও হয়ত পাকিস্তানপন্থীদের অক্সিজেন জোগাতে মনস্থির করে ফেলেছে!

আমরা, সারা ভারতের জাতীয়তাবাদি ও হিন্দুত্ববাদি সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকরাও তাই দাবি করছি, সমস্ত হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চলেও তবে কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা খোলা হোক। মদনমোহন মালব্য, ঋষি অরবিন্দ, বিনায়ক দামোদর সাভারকর, ভগৎ সিং, ক্ষুদিরাম বোস, নেতাজী সুভাসচন্দ্র বোস এদের ছবির প্রচার ও প্রসারটাও একই সাথে দরকার।।


Spread the love

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *