ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখুন

Spread the love

 

ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখেছেন কি ?

রবীন্দ্রনাথ কালান্তর গ্রন্থে হিন্দুদের বিধর্মের প্রতি নির্বুদ্ধিতার উদাহরন দিয়েছিলেন৷১৪০০ বছর আগে মালাবারে যখন ইসলাম প্রচারে শেখরা আসে তখন ওই অঞ্চলের হিন্দু রাজারা জনগনের মাথায় ইসলাম চাপিয়ে দিয়েছিলেন৷আদেশ করেছিলেন প্রত্যেক শেখের একটি করে ভক্ত হতেই হবে হিন্দুদের মধ্যে থেকে৷সঙ্গে সেই শেখ পাবে জমি ও আর্থিক ভাতা৷এমনই ভাবে বোম্বাই উপকূলে যখন ইসলামী বাহিনী হানা দিচ্ছে তখন রাষ্ট্রকূট রাজাদের কৃপায় আরবরা বসতি করছে রাজ্য জুড়ে৷অনায়াসে বিবাহ করছে হিন্দু নারীদের৷ ভারতের প্রতিটি প্রান্তে মুসলমানদের বসতি বানিজ্য ও অবাধ বিচরন গড়ে উঠেছিল৷তারা সেনা এবং প্রশাসনে অবাধ নিয়োগ পেত৷যেমন পালদের সেনায় যবনরা ছিল৷মনে রাখতে হবে ঠিক সেই সময় কাবুল জাবুল মাকারানা মধ্যএশিয়া জুড়ে আরবদের প্রলয়ঙ্কর আক্রমন ও ধ্বংসলীলা চলছে৷ভারতীয় রাজারা সেকথা জানতনা তেমনতো নয়৷ওই বিরাট অঞ্চলে ভারতীয় সভ্যতাই ছিল৷প্রতিনিয়ত আদান প্রদান হত সাংস্কৃতিক ও বানিজ্যিক৷তাস্বত্তেও মুসলমানদের ভারতে জাল বৃদ্ধি বন্ধের কোন চেষ্টাই ভারতীয় রাজারা করেনি৷কমবেশী তিনশ বছর মুসলমানদের আক্রমন ভারত সীমান্ত ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হয়,যদিও মধ্যএশিয়া সহ সিন্ধুর পশ্চিমপাড়ের জমি এবং মানুষ চিরকালের মত হিন্দুরা হারায়৷সম্পূর্ণ ধূলোয় মিশে যায় হাজার হাজার বছরের হিন্দু সভ্যতা৷এরপর ভারতের গভীরে বিভিন্ন মন্দির ও সমৃদ্ধ জনপদে হানাদারি শুরু হয়৷আক্রমনের ধরন দেখে নিশ্চিত হওয়া যায় যে মুসলমানদের সেই সব অঞ্চল সম্পর্কে গভীর অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহ না থাকলে আদৌ এমন অভিযান অসম্ভব৷এবং এই কাজটি করেছিল ভারতে ব্যবসা বানিজ্য এবং বৈবাহিক সম্পর্ক করে অবাধ বিচরন করা মুসলানরাই৷পরবর্তী পর্বে সাধুর ছদ্মবেশে সুফী-জিহাদী বিভিন্ন অঞ্চলের হিন্দু রাজানুকুল্যে ছড়িয়ে পড়ে৷যেমন আজমীড়ে শেখ নিজাম্মুদীন চিস্তি বা বাংলায় জালাল শাহ তাব্রিজি ৷ এর পর যখন তুর্কী জিহাদীরা ভারতে ঢুকে পড়ে তখন এই হিন্দুরাজাদের কৃপাপ্রাপ্ত সুফীরাই জিহাদীদের সঙ্গী হয়৷এর পর ১০০০বছরের অন্তহীন দাসত্ব৷জানিনা অন্য্ প্রদেশে পুজো পার্বনে বাংলার মতো পাঁচালী পাঠ হয় কিনা। সুক্ষ সুফী প্রকরণে এখানে সত্য নারায়ণের পাঁচালীতে ঢুকে গেছে সত্য পীর। বিপত্তারিণীতে ঢুকে গেছে গোমাংস ভক্ষণ। চাঁদ মোহাম্মদ ওরফে সাইঁ বাবা এখন বহু হিন্দুর কাছে উপাস্য দেবতা। তার পায়ে স্থান হয়েছে শিব -কৃষ্ণ -গণপতির। হায়রে ধর্ম নিরক্ষর হিন্দু আর তোমার শক্তি সাধনায় চরম অরুচি।

হিন্দুজাতির শিক্ষা হয়নি ৷ বহুযুগ পরে খন্ডিত স্বাধীনতা পেয়েও আবার সেই আদি যুগের মত চলেছে৷ইতিহাস থেকে কোন শিক্ষা হিন্দু নেয়নি  ৷ তাই তথাকথিত হিন্দুত্ববাদী সরকারেই রাজত্বেই রোহিঙ্গারা সরকারী মদতে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে৷লাভজিহাদ আর ধর্মান্তরনের বৃদ্ধি পায়। মুসলিম তুষ্টিকরনের সীমাপরিসীমা থাকেনা ৷ আদালত হিন্দুমেয়েকে কোরান বিতরনের রায় দেয় ৷ হিন্দুত্ববাদী সংগঠক আর গোরক্ষকরা একের পর এক জিহাদিদের হাতে নিহত হন, যা খবরের আলোয় আসে না। তবে গরু চোর -ধর্ষণকারী বা দুষ্কৃতী যদি মোল্লা যদি গণপিটুনির শিকার হয়, দেশ জুড়ে তখন চলে প্রতিবাদের ঝড়। হিন্দু অস্মিতা আর তার গরিষ্টতার শক্তি ক্রমে হ্রাস পাচ্ছে। সবই যেন সেই প্রাচীন ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৷ অবশ্যই আজকের কর্মের ফল অতীতের মতই হবে ৷


মুক বধির পঙ্গুর মত হিন্দুরা কেবল এই সর্বনাশের কাহিনী দেখে চলি ৷ আমরা বুঝতে পারছি কি হতে যাচ্ছে ৷  কিন্তু ব্যক্তিগত আরাম আয়েস চাওয়াপাওয়া লাভ লোকসানের গন্ডি ছেড়ে আমরা কিছু করবনা  ৷ আমাদের এই ক্লীবতা,জড়তা,স্বার্থপরতার ফল আমরা জীবদ্দশাতেই দেখব ৷ মরে বাঁচার সৌভাগ্য সকলের হবেনা ৷

জানি সেকুলার নির্বীর্য্যকরণ মাহাত্ম্যে অনেক হিন্দু শরীরের হিন্দু বীর্য্য আর হিন্দুত্বের জন্ম দিতে পারেনা। সেকু -মাকু -তিনু আর জামরুলদের গায়ে পর্যায় ক্রমে গা ঘষে ঘষে সমাজে বহু হিন্দুমান জারজ হিন্দু সমাজকে ভিতর থেকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। বাইরের শত্রুর সাথে ঘরের শত্রুদের চিহ্নিত করে তাদের বিনাশও আশু প্রয়োজন।

মানুষ জীবনে একবারই মৃত্যুবরণ করে। আসুন আমাদের মৃত্যুকে মহীয়ান করে তুলি। দেশ-ধর্ম -সমাজের জন্য বলিদান এ জীবন ধন্


Spread the love

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *