সকল ভারতীয়দের আজ রাতে মোমবাতি ,টর্চ, প্রদীপ জ্বালানোর অনুরোধ

Spread the love

pradip

একসাথে 130 কোটি সর্ষের তেল এর প্রদীপ আর মোমবাতি জ্বালালে ভারতের উষ্ণতা বৈজ্ঞানিক তথ্যের ভিত্তিতে আনুমানিক 30℃~40℃ বৃদ্ধি পাবে। এবং WHO এর রিপোর্টে বলা হয়েছে করোনা ভাইরাস 30℃ এর উপরে বাঁচতে পারে না। আর মোমবাতি ও প্রদীপ জ্বালার কারণে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর সাথে সাথে কয়েকটা কেমিক্যাল নির্গত হয় যেমন বেঞ্জিন, টলুইন, হাইড্রোকার্বন যার মধ্যে নাইট্রোজেন আর অক্সিজেন ও থাকে। অক্সিজেন আমাদের বাঁচার জন্য দরকারি, কারণ অক্সিজেন ছাড়া আমরা মরে যাবো। Scientific American Research on Covid-19 এর বিজ্ঞানীদের পরীক্ষায় দেখা যায় করোনার ভাইরাস বেঞ্জিন এর সংস্পর্শে আসলে করোনার জীবনকাল এর আয়ু ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং দু থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই ভাইরাস টি মরে যায়।


আর টর্চের মধ্যে ব্যাটারির ভিতর কোটি কোটি ইলেকট্রন যখন কোটি কোটি প্রোটন দ্বারা ধাক্কা খায় তখন ইলেকট্রন গুলো প্রচুর পরিমানে চার্জড হয়ে যায় এবং ঐ প্রবল পরিমান এনার্জি আলোকশক্তির আকারে ফিলামেন্ট বা LED এর মাধ্যমে বাইরে বেরিয়ে আসে আলোর গতিতে। বাতাসে ভেসে থাকা করোনা ভাইরাস গুলো যদি আলোর গতিতে ছিটকে আসা প্রোটন কণার সাথে ধাক্কা খায় সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসের বাইরের প্রোটিন ও ফসফোলিপিডের কঠিন স্তর ভেঙে যাবে। এই ভাইরাসের বাইরের আবরণ যাকে ক্যাপসিড বলা হয় বিজ্ঞানের ভাষায়, এই ক্যাপসিডই করোনা ভাইরাস কে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থেকে বাঁচিয়ে রাখতে সাহায্য করে দীর্ঘদিন। বাইরের এই আবরণ টির কারণেই কোনো ওষুধ কার্যকরী হয়নি ভাইরাস টির উপর, কিন্তু একবার যদি প্রোটন কণা দিয়ে ভাইরাস গুলিকে আলোর গতিতে আঘাত করানো হয়, তাহলে ভাইরাসের বাইরের কঠিন আবরণ ক্যাপসিড ভেঙে যাবে, তখন করোনা ভাইরাস কে আমরা সহজেই প্রতিরোধ করতে পারবো।

আমাদের মাননীয় মোদিজি 5 ই এপ্রিল করোনা কে নির্মূল করার জন্য মোমবাতি, প্রদীপ এবং টর্চ জ্বালাতে বলেছেন রাত 9 টায়। মোদিজির নেওয়া এই কর্মসূচিকে WHO এর তরফ থেকে অনেক প্রশংসা জানানো হয়েছে।

তাই আসুন আমরা এই কর্মসূচি কে সফল করি সকল দেশবাসী মিলে। করোনার বিরুদ্ধে লড়াই আমাদের জিততে হবে।


Spread the love

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *